প্রথম প্রণয়

62

পিচ্চি কল্লোল স্কুল ছুটির পর বাসায় অনেক দেরি করে ফিরল। তার চেহারায় ক্লান্তি ও বিষন্নতার ছাপ। দেখেই তার মা জিজ্ঞেস করল, “বাবা, কী হয়েছে। এমন দেখাচ্ছে যে?”

ইংলিশ মিডিয়াম পড়ুয়া কল্লোল উত্তর দিল। “মাম, আজ আমি সেক্স করে এসেছি।”

-“কী, কি বললে?”

“হ্যা মাম, সেক্স করেছি।”

“কী, এই ছেলে বলেকি। বয়েস মাত্র চোদ্দ। এখনো নাক টিপলে দুদু বেরুবে।…তুমি এগুলো কী বলছ বাবা। ঠিক কর বলতো কি হয়েছে সোনা। ”, বলল তার মা।

“কত বার বলব, আই হ্যাভ হ্যাড এ গ্রেট ফাক, মাম”

“ঠিক আছে, আজ তোমার বাবা আসুক। সব কিছু তোমার বাবাকে বলব। কী স্পর্ধা, একটা অপরাধ করেছে, তার উপর আবার নির্লজ্জের মত বলছেও। নিঃলজ্জ ছেলে কোথাকার।”

…..

সন্ধ্যায় কল্লোলের বাবা ফখরউল্লা সাহেব বাসায় এলেন। তিনি চাকরি করেন বিদেশি এনজিও তে। চলনে বলনে বিলেতি চল, কথা বার্তায় মার্কিনি স্ল্যাংএর ফল্গুধারা। বাসায় আসতেই স্ত্রী অভিযোগের সুরে বললেন, “দেখলে তোমার ছেলে কতটা অসভ্য হয়েছে।”

-“হোয়াই, কী করেছে সে?”, বললেন ফখরউল্লা

“সে নাকি কোথায় যেন গিয়ে যৌনকর্ম করে এসেছে, আবার দাঁত কেলিয়ে নির্লজ্জের মত বলছেও”

-“হোয়াট, আ’ম গ’না নেইল দ্যাট লিটেল প্রিক। কোথায় সে।” বলেই কল্লোলের রুমে ছুটলেন ফখরউল্লা।

কল্লোলের রুমে গিয়ে ফখরউল্লা দেখলেন সে একটা বালিশ কোলে নিয়ে বসে আছে। “মাই সান। কি শুনলাম, তুমি নাকি এই ইম্যাচুর বয়সে গিয়ে সেক্স করে এসেছ?” ধমকের সুরে বললেন তিনি।

-“ইয়েস ড্যাড। করেছি”

এবার ফখরউল্লা গলাটা নামিয়ে নিলেন। “ব্রাভো মাই সান।”, নিচু স্বরে বললেন তিনি। “ইওর, ড্যাড ইজ ড্যাম প্রাউড অফ ইউ। তবে এ কথা তোমার মামকে বলোনা। মাম কিছু জিজ্ঞেস করলে বলো- ইউ টকড অ্যাবাউট সাম গাইজ স্টাফ। ওকে” এরপর ছেলের রুম থেকে খুশি মনে বিদায় নিলেন তিনি।

পরের দিন অফিসে গিয়ে ফখরউল্লা সহকর্মীদের মাঝে দামামা বাজিয়ে ছাড়লেন। “ইউ নো মিস আরতি। আমার ছেলে, দ্যাট টাইনি লিটেল কিড জাস্ট ফাকড অ্যা ড্যাম বিচ লাস্ট ডে। আপনি এটা বিশ্বাস করতে পারেন, ক্যান ইউ বিলিভ ইট!!” ……“মিস রিটা, ইউ নো, মাই বয়, দ্যাট মাদাফাকিং লিটল কিড হ্যাড জাস্ট ফাকড সাম ফাগলি হোর লাস্ট ডে। ওহহো মাই গড। দেখেছেন কারবার। হি হ্যাজ বিকাম জাস্ট এ গডড্যাম মাদাফাকা লাইক হিজ ফাদার। হি হ্যাজ দ্যা ডিক…”

সহকর্মীদের মাঝে একটা গর্বিত দিন শেষে বাসায় ফেরত গেলেন ফখরউল্লা। স্ত্রীর সাথে উষ্ণ কিছু সময় কাটিয়ে তিনি গেলেন ছেলের খবর নিতে। দেখলেন ছেলে একটা বালিশ কোলে নিয়ে বসে আছে। “হায় হানি, তুমি কি আজকেও লাস্ট ডে’র মত….??”, মুখে কপট হাসি ফুটিয়ে ইঙ্গিত করলেন তিনি।

“না ড্যাড, আজ যাইনি।”

“কেন! নাও ইউ আর এ ম্যান। জাস্ট লাইক ইওর দিস হাংকি ড্যাড” ফখরউল্লা’র কণ্ঠে তৃপ্তস্বর।

“ড্যাড, আসলে গতকালের পর থেকে এখনো আমার অ্যাসহোলে ব্যথা করছে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here